Main Menu

তৈরি হচ্ছে না কালজয়ী অভিনেতা-অভিনেত্রী

এক সময় বিনোদনের প্রধান মাধ্যম ছিল চলচ্চিত্র। নায়ক-নায়িকারা ছিলেন তরুণ-তরুণীদের আইকন-আইডল। তাদের মতো পোশাক-আশাক, ফ্যাশন, হাঁটা-চলার স্টাইল, কথা বলার ঢঙ অনুকরণ-অনুসরণ করতেন অনেকেই। সিনেমায় দেখা চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে নায়ক-নায়িকাদের নানা উপাধি-বিশেষণও দিতেন দর্শকরা। রেডিও-টেলিভিশন ছাড়াও ইত্তেফাকের পাতাজুড়ে থাকতো সিনেমার বিজ্ঞাপন। রেডিওতে নাজমুল হুসাইন-মাজহারুল ইসলামের ‘হা…ভাই আসিতেছে… রোমান্স, ড্রামা, সাসপেন্স, অ্যাকশন, কমেডিতে ভরা মিষ্টি মধুর প্রেমের ছবি…’ শোনার জন্য পুরো দুপুর রেডিওর পাশে বসে থাকতেন শ্রোতারা। ছবির দৃশ্য-গল্পের সাথে মিশে যেতেন। দর্শকরা নিজেকে খুঁজে পেতেন সিনেমার পর্দায়। কাঁদতেন, হাসতেন, আপ্লুত-আলোড়িত হতেন। পর্দায় শেষ দৃশ্যে ভিলেনের বিনাশ আর নায়ক-নায়িকার মিলন দেখে দর্শকরা এটা ভেবে ঘরে ফিরতেন যে রাজ্জাক-কবরী বা আলমগীর-শাবানা সত্যি সত্যি হয়তো বাস্তব জীবনেও স্বামী-স্ত্রী। সিনেমার কাহিনী মুখস্ত হয়ে যেতো। কোনো কোনো ডায়লগ মুখে মুখে ফিরতো। কেবল সিনোমার কাহিনী নয়, শিল্পীদের অভিনয় আর মন মাতানো গানও দর্শকের মনে গেঁথে যেতো। সেইদিনগুলো এখন গল্পের মতো মনে হয়।

Please follow and like us:
error0





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *