Main Menu

ট্রাক লোড পয়েন্টের অভাবে ধুকছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান কাঠ বাজার

ট্রাক লোড পয়েন্টের অভাবে ধুকছে সর্ববৃহৎ ভাসমান কাঠবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

এক সময়ে সুন্দরীকাঠের বিশাল বাজার হিসাবে পরিচিত পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতেই এখন দেশীয় ব্যবসায়ি কাঠের সর্ববৃহৎ ভাসমান বাজার। বিক্রির জন্য গোল কাঠ নিয়ে পিরোজপুর জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলার কাঠুরেরা আসেন এই বাজারে আর সেই কাঠ স্থাণীয় ব্যবসায়িদের মাধ্যমে নৌ-যোগে চলে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

৯০ এর দশকে বন্ধ হয়ে যায় বাগেরহাটের সরকারি টেন্ডারের ঘের ব্যবসা। থমকে পড়ে দেশ বরেন্য সুন্দরীকাঠ ব্যবসার স্বরূপকাঠির এই বিশাল বাজারটি। কালের বিবর্তনে দেশীয় কাঠের ব্যবসা শুরু করে এখানকার ব্যবসায়িরা। যা ধীরে ধীরে রূপনেয় দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান কাঠের বাজারে। অবৈধ চোরাই কাঠ বিক্রির অভিযোগ থাকলেও গোলপাতার নৌকার অাড়ালে সুন্দরীসহ বিভিন্ন প্রজাতীর প্রায় দেড় হাজার ঘন ফুট গাছ গত ২০১৭ সালের ২৩ এপ্রিল তৎকালিন দায়িত্বে থাকা কোস্টগার্ডের পিও এম এ মান্নান ও স্বরুপকাঠি বনকর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেনের যৌথ অভিযানে জব্দের পর থেকে এ উপজেলায় চোরাই কাঠের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবী উপজেলা কর্মকর্তা ইউসুফ আলীর। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দেশীয় কাঠের ভাসমান বাজার স্বরূপকাঠির এই কাঠ বাজারটি।

স্বরূপকাঠির প্রায় বিষ হাজারেরও বেশি মানুষ এ ব্যবসার সাথে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত। উপজেলার সীতলা খাল, কালিবাড়ি খাল, পঞ্চায়েতবাড়ি খালসহ এমন কোন খাল পাওয়া যাবে না যেখানে কাঠ ব্যবসা নেই, অবৈধ ভাবে ব্যবসায়িদের দখলে রয়েছে বিসিকের একমাত্র খালটিও। সীতলা খালের চরে গড়ে ওঠা ভাসমান বাজারটিই স্বরূপকাঠির সব থেকে বড় কাঠের চর। এখানেই ব্যবসায়ি শ্রমীক মিলিয়ে প্রায় দশ হাজারের বেশি মানু্ষ জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

তবে, সড়ক পথে এখানকার কাঠ পরিবহনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় নৌ-যোগেই কাঠ পরিবহনে বাধ্য ব্যবসায়িরা কিন্তু নৌপথে পুলিশসহ বিভিন্ন লোকদের চাঁদাবাজী ও পরিবহনে প্রতি সিএফটি কাঠে ৪০ টাকা খরচ দিয়েও কাঠ পৌছে দিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় তাদের।

স্বরূপকাঠিতে একটি ট্রাক লোড পয়েন্ট করা হলে বাড়বে ব্যবসার প্রসার, কমবে কাঠের মূল্য ও পরিবহন খরচ, বাঁচবে সময়। তাই সরকারের কাছে একটি ট্রাক লোড পয়েন্টের দাবী স্বরূপকাঠির কাঠ ব্যবসায়িদের।

 

Please follow and like us:
error0





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *